9wiket নিবন্ধন কেন এত সহজ?

9wiket-এ নিবন্ধন প্রক্রিয়া এতটাই সহজ কারণ আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তি মানুষের জীবন সহজ করার জন্য — জটিল করার জন্য নয়। অনেক প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধনের সময় এত ধাপ থাকে যে শুরু করতেই ভয় লাগে। 9wiket সেই সমস্যা সমাধান করেছে — মাত্র কয়েকটা তথ্য দিলেই কাজ হয়ে যায়।

বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে পুরো নিবন্ধন প্রক্রিয়া বাংলায় তৈরি করা হয়েছে। ইংরেজি না জানলেও নিবন্ধন করা যাবে, পেমেন্ট করা যাবে এবং সাপোর্ট পাওয়া যাবে — সব বাংলায়।

নিবন্ধনের সময় যা মনে রাখবেন

  • সঠিক নাম দিন — KYC-র সময় আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নামের সাথে মিলতে হবে।
  • নিজের মোবাইল নম্বর দিন — অন্যের নম্বরে OTP পাঠানো হলে যাচাই করতে পারবেন না।
  • শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিন এবং কোথাও লিখে রাখুন — একাউন্ট নিরাপদ রাখা আপনার দায়িত্ব।
  • একজন ব্যক্তি একটিমাত্র একাউন্ট খুলতে পারবেন — একাধিক একাউন্ট বন্ধ করা হয়।
  • জন্মতারিখ সঠিক দিন — ১৮ বছরের নিচে নিবন্ধন করা যাবে না।

নিবন্ধনের পরে কী করবেন?

নিবন্ধন শেষ হলে প্রথম কাজ হলো ইমেইল ইনবক্সে গিয়ে 9wiket-এর ওয়েলকাম ইমেইলটা কনফার্ম করা। তারপর একাউন্টে লগইন করুন এবং প্রথম ডিপোজিটের প্রস্তুতি নিন।

ডিপোজিট করতে উপরের মেনুতে "ওয়ালেট" বা "ডিপোজিট" বোতামে ক্লিক করুন। বিকাশ, নগদ বা রকেট বেছে নিন এবং পরিমাণ দিন। নির্দেশ মেনে পেমেন্ট সম্পন্ন করলে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে টাকা একাউন্টে চলে আসবে। প্রথম ডিপোজিটে ১৫০% বোনাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।

এরপর "স্পোর্টস" বা "গেমস" বিভাগে গিয়ে পছন্দের মার্কেট বেছে নিন এবং শুরু করুন। কোনো সমস্যা হলে পেজের নিচের ডানদিকে লাইভ চ্যাট আইকনে ক্লিক করুন — বাংলায় সাথে সাথে সাহায্য পাবেন।

KYC কি নিবন্ধনের সময়েই করতে হবে?

না — 9wiket-এ KYC নিবন্ধনের সাথে বাধ্যতামূলক নয়। সাধারণত প্রথমবার বড় উইথড্রয়াল (সাধারণত ৳১০,০০০-এর বেশি) করতে গেলে বা একাউন্টে অস্বাভাবিক কার্যক্রম দেখা গেলে KYC চাওয়া হয়।

তবে আগেভাগে KYC সম্পন্ন করে রাখলে পরে কোনো ঝামেলা ছাড়াই বড় উইথড্রয়াল করতে পারবেন। NID-এর সামনে ও পেছনের ছবি এবং একটা সেলফি দিলেই KYC প্রক্রিয়া শুরু হয় — সাধারণত ১-২ কর্মদিবসে সম্পন্ন হয়।

একাউন্ট সুরক্ষিত রাখার পরামর্শ

9wiket-এ নিবন্ধন করার পর আপনার একাউন্ট নিরাপদ রাখতে কিছু সহজ পদক্ষেপ নিন। টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু করুন — এটা সেটিংস পেজে পাবেন। পাসওয়ার্ড কখনো কারো সাথে শেয়ার করবেন না এবং পাবলিক WiFi-তে লগইন করা এড়িয়ে চলুন। মোবাইলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস-আইডি লক ব্যবহার করুন — অ্যাপে এই সুবিধা আছে।